সাইফুল ইসলাম ( আনোয়ারা)
চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলা উপজেলায় চালকও হেলপারকে জিম্মি করে এক লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবির ঘটনায় ছিনতাইকারী চক্রের পাঁচ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।গ্রেফতারকৃতরা হলেন, আনোয়ারা সদরের ইছামতী এলাকার মো. মফিজের ছেলে মো. জাহেদ (২৩), বরুমচড়া এলাকার মো. কামাল উদ্দিনের ছেলে মো. রিমন (১৯), ছৈয়দ নূরের ছেলে মো. শহীদ, পটিয়া শান্তিরহাট ফকিরা মসজিদ এলাকার মো. করিম (২২) এবং বারখাইন হাজীরহাট এলাকার মো. সাইফুল (২০)।পুলিশ জানায়, শিকলবাহা এলাকার মো. শফিউল আলমের একটি হিউম্যান হলার (মিনিবাস) রয়েছে। শুক্রবার রাতে চালক মো. শহিদুল আলম দুই হেলপারকে নিয়ে নতুন ব্রিজ এলাকা থেকে চাতরী চৌমুহনীর উদ্দেশ্যে রওনা দেন। এ সময় চক্রের এক সদস্য এসে বরুমচড়া এলাকায় জরুরি ভাড়া রয়েছে বলে জানায়। পরে কয়েকজন যাত্রী সেজে গাড়িতে উঠে বসে।বরুমচড়া এলাকায় পৌঁছার পর চক্রের সদস্যরা দেশীয় অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে চালক ও হেলপারদের জিম্মি করে ফেলে। পরে তাদের কাছ থেকে মোবাইল ফোন নিয়ে গাড়ির মালিককে কল করে এক লাখ টাকা নিয়ে ঘটনাস্থলে আসতে বলে।বিষয়টি জানতে পেরে গাড়ির মালিক আনোয়ারা থানায় যোগাযোগ করেন। পরে থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. জুয়েলের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে অভিযান চালিয়ে চক্রের পাঁচ সদস্যকে আটক করে।এ ঘটনায় শিকলবাহা এলাকার মো. শফিউল আলম বাদী হয়ে গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে ছিনতাইয়ের অভিযোগে মামলা দায়ের করেছেন। পরে তাদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।আনোয়ারা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জোনায়েত চৌধুরী বলেন, “চালক ও হেলপারকে জিম্মি করে মুক্তিপণ আদায়ের চেষ্টা অত্যন্ত গুরুতর অপরাধ।খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে অভিযান পরিচালনা করে ছিনতাইকারী চক্রের পাঁচ সদস্যকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। চক্রটির সঙ্গে আরও কেউ জড়িত আছে কি না, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। জড়িত অন্য সদস্যদেরও দ্রুত আইনের আওতায় আনা
Leave a Reply