আজ ২২শে ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

{"remix_data":[],"remix_entry_point":"challenges","source_tags":["local"],"source_ids":{},"source_ids_track":{},"origin":"unknown","total_draw_time":0,"total_draw_actions":0,"layers_used":0,"brushes_used":0,"photos_added":0,"total_editor_actions":{},"tools_used":{"addons":1},"is_sticker":false,"edited_since_last_sticker_save":true,"containsFTESticker":false}

মিরসরাই  সাংবাদিক নির্যাতন মামলা এজাহারভুক্ত একজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি:

বাকি ৪ আসামি গ্রেফতারের ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটাম সাংবাদিকদের । মোহনা টিভির মীরসরাই প্রতিনিধি সাংবাদিক কামরুল ইসলাম(৩২)-কে মারধরের ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলার এজাহারনামীয় পাঁচ আসামির মধ্যে মাত্র একজন মো. মাসুদকে গ্রেফতার করেই যেন স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছে জোরারগঞ্জ থানা পুলিশ। অথচ একজন সাংবাদিকের ওপর সরাসরি হামলার মতো স্পর্শকাতর ঘটনায় বাকি চার আসামি এখনো প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে থানা পুলিশের নাকের ডগায়। আজ শনিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে মীরসরাই উপজেলার করেরহাট এলাকা থেকে মাসুদকে গ্রেফতার করা হয় বলে দাবি করেছে পুলিশ। জোরারগঞ্জ থানার ওসি মো. আব্দুল হালিমের নেতৃত্বে এবং মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই (নিরস্ত্র) মতিউর রহমানের পরিচালনায় এই অভিযান চালানো হয় বলে পুলিশের ভাষ্য। এদিকে সহকর্মীর ওপর হামলার প্রতিবাদে ও বাকি আসামিদের গ্রেফতারের দাবিতে আজ মানববন্ধন করেছেন সাংবাদিকরা। মানববন্ধন থেকে বক্তারা কঠোর ভাষায় হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে মামলার বাকি চার আসামিকে গ্রেফতার করতে হবে। নির্দিষ্ট এই সময়সীমার মধ্যে পুলিশ প্রশাসন কার্যকর পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হলে কঠোর কর্মসূচি ঘোষণার হুঁশিয়ারি দেন তারা। বক্তারা আরও অভিযোগ করেন, সাংবাদিকের ওপর হামলার মতো ঘটনায় মামলা রুজুর পরও বাকি আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশের এই ঢিলেমি প্রশ্নবিদ্ধ। তাদের ভাষ্য, গণমাধ্যমকর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে শুধু লোক দেখানো একটি-দুটি গ্রেফতার যথেষ্ট নয়; মামলার সব আসামিকে অবিলম্বে গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় সাংবাদিকদের ওপর হামলাকারীরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তারা।গ্রেফতার মাসুদের বিরুদ্ধে থাকা মামলা নং-০৪(০৯)২০২৬-এ তাকে ৫নং এজাহারনামীয় আসামি করা হয়েছে। তার পিতার নাম দুলাল উদ্দিন, বাড়ি জোরারগঞ্জ থানার ১নং করেরহাট ইউনিয়নের ঘেড়ামারা ফরেস্ট অফিস এলাকায়। গ্রেফতারকৃত আসামিকে আদালতে সোপর্দ করার প্রক্রিয়া চলমান থাকলেও, বাকি চার আসামি গ্রেফতারে পুলিশের অবস্থান নিয়ে সাংবাদিক মহলে ক্ষোভ ও উদ্বেগ দিন দিন বাড়ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

     এই বিভাগের আরও খবর