চট্টগ্রাম কন্ঠ : ডেস্ক
হঠাৎ করে নিখোঁজ হয়ে যাওয়ার এক সপ্তাহ পর লাশ পাওয়া যায় কর্ণফুলী নদীর শাহা আমানত সেতুর উত্তর পাশে আসলাম চৌধুরী ব্রিক ফিল্ড কাটার ড্রেজার সংলগ্ন , ঘটনার এক মাসেও মিলেনি ময়নাতদন্তের রিপোর্ট দুশ্চিন্তা ও হতাশায় ভুগছে নিহতের পরিবার।মোঃ শাহরিয়া ফাহাদ (১৯) পিতা – সৈয়দ মুসা বাদশা (প্রবাসী) মাথা নাজমা আক্তার (রকসি) সং ,২৫৪ বোয়ালিয়া ৭ নং ওয়ার্ড সাতকানিয়া পৌরসভা থানা-সাতকানিয়া,জেলা চট্টগ্রাম।শাহরিয়া ফাহাদের বাবা প্রবাসী মা-বাবার ইচ্ছে ছেলেকে ব্যবসার কাজে নিয়োজিত করবে তাই ব্যবসার সকল কর্মকান্ডভালোভাবে আয়ত্ত করার জন্য ছেলেকে শহরে পাঠিয়ে দেয়। চট্টগ্রামের টেরিবাজার ফারহান ট্রেনিং নামক একটি কাপড়ের দোকানে সেই চাকরি নেই প্রায় দুই মাস যাবত ফারহান ট্রেনিং নামক এই দোকান থেকেই গত ১৫ /৩/২০২৬ নিখুঁজ হয়।ঘটনার সূত্র এবং নিহত ফাহাদের মা নাজমা আক্তার বলছেন অন্য কথা, নিখুঁজের আগে ফাহদ প্রায় সময় তার মায়ের সাথে রাতে ফোনে কথা বলতো মৃত্যুর আগে একদিন ফাহাদ মাকে বলে সে মালিককে না বলে দোকান থেকে কাপড় নিয়ে ঈদের জন্য জামা সেলাই করতে দিছে। কথা শুনে ফাহাদের মা ফাহাদকে বকাঝকা করে এবং মালিককে অবগত করতে বলে পরবর্তী সময় দোকানের মালিক ফারুক বিষয়টি জানতে পারলে অন্যান্য দোকানদারের সামনে নিহত ফাহাদ কে চোর বলে আখ্যায়িত করে এবং ফাহাদের মাকে ফোন করে ক্ষতিপূরির জন্য চাপ প্রয়োগ করে ফাহাদের মা নাজমা আক্তার তাৎক্ষণিক বিষয়টি ফাহাদের চাচা সৈয়দ নূরকে অবগত করে সৈয়দ নুর চট্টগ্রাম টেরিবাজারের ফারহান ট্রেনিং এর মালিক ফারুক সহ আরো কয়েকজন দোকানের মালিকের সাথে যোগাযোগ করে তারা বলেন ক্ষতিপূরণ হিসেবে মালিকপক্ষ ৫০ হাজার টাকা দাবি করলে নিহত ফাহাদের চাচা সৈয়দ নূর পুলিশের মাধ্যমে মীমাংসা করতে বলে। টেরিবাজার দোকান মালিক সমিতি আইনি প্রক্রিয়া গ্রহণ না করে উক্ত ঘটনা(১৫০০০ টাকার)মাধ্যমে মীমাংসা করে। এবং সেই টাকাও বিকাশের মাধ্যমে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। সেদিন দোকানের মালিক ক্ষতিপূরণ পেলেও সন্তানকে ফিরে পাইনি মা নাজমা আক্তার। নিখোঁজের এক সপ্তাহ পর গত ২০/৩/২০২৬ইং সময় আনুমানিক ০১.২০ ঘটিকার সময় কর্ণফুলী নদী থেকে লাশ উদ্ধার করে সিএমপি সদরঘাট থানা নৌ পুলিশ।সদরঘাট নৌ থানার অফিসার্স ইনচার্জ মিজানুর রহমান বলেন আমরা ওই দিনেই লাশ ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রামমেডিকেল হাসপাতালে পাঠিয়ে দিয়েছি রিপোর্ট না আসা পর্যন্ত এই মুহূর্তে কিছু বলতে পারছি না, তবে আমরা মৃত্যুর কারণ খুঁজে বের করার চেষ্টা করছি।
Leave a Reply