২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দুই মাসে চায়না ইকোনমিক জোনে কারখানার কাজ শুরু, ১৫ মাসে উদ্বোধনের লক্ষ্য

প্রকাশিত হয়েছে-

মোঃ সাইফুল ইসলাম, আনোয়ারা (চট্টগ্রাম)

অগ্রগতি পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী বিজন কান্তি সরকার; দ্রুত গ্যাস-বিদ্যুৎ সংযোগের উদ্যোগ
চট্টগ্রামের আনোয়ারায় চায়না ইকোনমিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোনে আগামী দুই মাসের মধ্যে কারখানা স্থাপনের কাজ শুরু করার প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। আগামী ১৫ মাসের মধ্যে প্রথম কারখানা উদ্বোধনের লক্ষ্য সামনে রেখে দ্রুত গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংযোগ নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।বুধবার (২৮ অক্টোবর) দুপুরে আনোয়ারার বৈরাগ এলাকায় প্রস্তাবিত অর্থনৈতিক অঞ্চলটির অগ্রগতি পরিদর্শন শেষে এ তথ্য জানান প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী (প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদা) বিজন কান্তি সরকার।তিনি বলেন, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আগামী দুই মাসের মধ্যে কারখানা স্থাপনের কাজ শুরু করতে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। দ্রুত কাজ শুরুর কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণ ও অগ্রগতি পর্যালোচনায় বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা), চায়না ইকোনমিক জোনের কর্মকর্তা এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় করা হয়েছে।প্রথম কারখানা উদ্বোধনের সময়সীমা প্রসঙ্গে বিজন কান্তি সরকার বলেন, ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের সময় প্রধানমন্ত্রী ১৮ মাসের মধ্যে প্রথম কারখানা উদ্বোধনের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছিলেন। এরই মধ্যে তিন মাস পেরিয়ে যাওয়ার বিষয়টি জানানো হলে তিনি বলেন, ‘আরও ১৫ মাস বাকি আছে। ওয়েট অ্যান্ড সি।’তিনি জানান, আনোয়ারার বৈরাগ এলাকায় প্রায় ৮০০ একর জমিতে চায়না ইকোনমিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রকল্পটিতে চীনের এক্সিম ব্যাংক অর্থায়ন করবে। শিল্পকারখানা স্থাপনের কাজ এগিয়ে নিতে দ্রুত গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংযোগ নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রথম কারখানা উদ্বোধনের বিষয়ে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।পরিদর্শন কালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সচিব এবিএম আব্দুস সাত্তার ও পরিচালক নুর জাহান খানম উপস্থিত ছিলেন। পরে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় ওয়াসা, পল্লী বিদ্যুৎ, কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন, পরিবেশ অধিদপ্তর, আনোয়ারা উপজেলা প্রশাসনসহ বিভিন্ন দপ্তরের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। সভায় দ্রুত কাজ শুরুর জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো ও পরিষেবা নিশ্চিত করার বিষয়ে আলোচনা হয়।সভা শেষে অতিথিরা চায়না ইকোনমিক জোনের অফিস ভবনের সামনে নিমগাছের চারা রোপণ করেন।এর আগে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী কোরিয়ান এক্সপোর্ট প্রসেসিং জোন (কেইপিজেড) পরিদর্শন করেন। সেখানে তিনি কেইপিজেডের নিজস্ব হাসপাতাল, টেক্সটাইল ইনস্টিটিউট ও গার্মেন্টস কারখানা ঘুরে দেখেন। মঙ্গলবার রাতে তিনি কেইপিজেডে পৌঁছান। বুধবার চায়না ইকোনমিক জোন পরিদর্শন শেষে দুপুর দেড়টার দিকে চট্টগ্রাম ইপিজেড (সিইপিজেড) পরিদর্শনের উদ্দেশে রওনা হন।