মনজুরুল :আনোয়ারা (চট্টগ্রাম)
বুকভরা আশা, মনভরা কষ্ট আর হৃদয়ভরা আকুতি নিয়ে মানুষ ছুটে আসেন মহান আল্লাহর দরবারে। কারও মনে জীবনের নানা দুঃখ-কষ্ট, কারও চোখে সুন্দর ভবিষ্যতের স্বপ্ন, আবার কেউ আসেন মনের অজানা ব্যথা থেকে মুক্তি ও আত্মার প্রশান্তি খুঁজতে। আর সেই প্রার্থনা, বিশ্বাস ও মানসিক প্রশান্তির আশায় চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার সুরুত বিবি জামে মসজিদে ছুটে আসেন দূর-দূরান্তের অসংখ্য মানুষ।দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা এসব মানুষের কাছে মসজিদটি কেবল নামাজ আদায়ের স্থান নয়; বরং মহান আল্লাহর কাছে নিজেদের মনের কথা তুলে ধরা, জীবনের সংকট থেকে মুক্তি কামনা করা এবং নতুন করে আশায় বুক বাঁধার এক পবিত্র স্থান।কেউ ব্যক্তিগত জীবনের নানা সংকট নিয়ে, কেউ পরিবার-পরিজনের মঙ্গল কামনায়, আবার কেউ মানসিক অস্থিরতা থেকে প্রশান্তি পেতে নামাজ ও দোয়ার মাধ্যমে আল্লাহর কাছে সাহায্য চান। সবার প্রার্থনার ভাষা হয়তো আলাদা, কিন্তু প্রত্যাশা একটাই—মহান আল্লাহ যেন তাঁদের দুঃখ-কষ্ট দূর করে দেন এবং জীবনে শান্তি ও কল্যাণ দান করেন।মানুষের জীবনে সুখ-দুঃখ, প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তি আর আশা-নিরাশার গল্প থাকে। সেই গল্পের ভার বুকে নিয়েই অনেকে খুঁজে ফেরেন একটু শান্তি, একটু ভরসা। সুরুত বিবি জামে মসজিদে এসে নামাজ আদায় ও প্রার্থনার মধ্য দিয়ে তাঁরা যেন খুঁজে নিতে চান সেই মানসিক প্রশান্তি, যা মানুষকে কঠিন সময়েও সামনে এগিয়ে যাওয়ার সাহস জোগায়।ধর্মীয় বিশ্বাস মানুষের মনে আশা জাগায়, ধৈর্য ধারণ করতে শেখায় এবং প্রতিকূল সময়ে সৃষ্টিকর্তার ওপর ভরসা রাখতে অনুপ্রাণিত করে। সুরুত বিবি জামে মসজিদে আসা মানুষের প্রার্থনা ও আবেগের মধ্যেও ফুটে ওঠে সেই বিশ্বাসের প্রতিফলন।বুকভরা আশা আর মনভরা কষ্ট নিয়ে মসজিদে আসা এসব মানুষের একটাই প্রত্যাশা—নামাজ ও দোয়ার মাধ্যমে মহান আল্লাহর রহমত লাভ করা, মনের ভার লাঘব করা এবং জীবনে ফিরে পাওয়া প্রশান্তি ও স্বস্তি।
৯ই অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ২৪শে আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
বুকভরা আশা, মনভরা কষ্ট—প্রশান্তির খোঁজে সুরুত বিবি জামে মসজিদে ছুটে আসেন হাজারো মানুষ
প্রকাশিত হয়েছে-