১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ১লা আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হাসপাতালে থেকেও মামলায় আসামি—সিসিটিভি যাচাইয়ের দাবি যুবদল নেতার

প্রকাশিত হয়েছে-

মোঃ সাইফুল ইসলাম আনোয়ারা (চট্টগ্রাম)
চট্টগ্রামের আনোয়ারায় মারামারির ঘটনাকে কেন্দ্র করে উপজেলা যুবদল নেতা মোঃ আজম খানকে ‘ষড়যন্ত্রমূলক ও হয়রানিমূলক’ মামলায় আসামি করার অভিযোগ উঠেছে। মামলা প্রত্যাহার এবং ঘটনার সময় তিনি ঘটনাস্থলে ছিলেন না—এ দাবি প্রমাণে হাসপাতালের সিসিটিভি ফুটেজ যাচাইয়ের দাবি জানিয়েছেন আজম খান ও তার পরিবার।মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলার কালাবিবির দিঘীর মোড় এলাকায় সাংবাদিক সমিতির কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানানো হয়।সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে আজম খান বলেন, গত ৫ সেপ্টেম্বর চাতরী-চৌমুহনী বাজারের হাজী এ আলী শপিং কমপ্লেক্সে কাঁচাবাজার ও মার্কেট ব্যবসায়ীদের অভ্যন্তরীণ বিরোধকে কেন্দ্র করে মারামারির ঘটনা ঘটে। এতে উভয় পক্ষের কয়েকজন আহত হন। ঘটনার সময় তিনি সেখানে না থেকে আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে আনোয়ারা মেডিকেলে অবস্থান করছিলেন বলে দাবি করেন।
আজম খানের অভিযোগ, তার রাজনৈতিক ও সামাজিক সুনাম ক্ষুণ্ন করতে গত ৯ সেপ্টেম্বর মো. দেলোয়ার হোসাইন বাদী হয়ে চট্টগ্রাম জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি সিআর মামলা দায়ের করেন। মামলায় তাকে ২ নম্বর আসামি করে চাপাতি দিয়ে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ আনা হয়েছে। তবে ওই অভিযোগকে তিনি ‘বানোয়াট ও ভিত্তিহীন’ বলে দাবি করেন।তিনি বলেন, ঘটনার সময় আনোয়ারা মেডিকেলে তার অবস্থানের বিষয়টি হাসপাতালের সিসিটিভি ফুটেজে স্পষ্টভাবে পাওয়া যেতে পারে। ওই সময় আনোয়ারা থানার এসআই মোমেন দে এবং হাজী এ আলী শপিং কমপ্লেক্সের দুজন ব্যবসায়ীও হাসপাতালে উপস্থিত ছিলেন বলে দাবি করেন তিনি। তাই মামলার তদন্তে সংশ্লিষ্ট সময়ের সিসিটিভি ফুটেজ যাচাই করে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটনের আহ্বান জানান আজম খান।নিজের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, ২০১৮ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দায়ের করা একটি মামলায় তিনি দুই মাস কারাভোগ করেছেন। এলাকায় চাঁদাবাজি, মাদক ও অস্ত্র ব্যবসার বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকায় একটি মহল তার রাজনৈতিক ক্যারিয়ার ধ্বংসের উদ্দেশ্যে তাকে মামলায় জড়িয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।সংবাদ সম্মেলন থেকে মামলাটি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত, হাসপাতালের সিসিটিভি ফুটেজ যাচাই এবং হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়। একই সঙ্গে প্রকৃত ঘটনা তুলে ধরতে সাংবাদিক ও প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেন আজম খান ও তার পরিবারের সদস্যরা।