সবুজ অরণ্য , বোয়ালখালী (চট্টগ্রাম)
বোয়ালখালী পৌরসভার পশ্চিম গোমদণ্ডী এলাকায় অবস্থিত কনফিডেন্স সল্ট কারখানায় নতুন জেনেরেটর স্থাপনের সময়
বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়।বৃহস্পতিবার (বেলা ১১টার) দিকে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। আগুনে দগ্ধ ১০ শ্রমিককে উদ্ধার করে চমেক হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। বর্তমানে তারা চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন আছে। আহতদের মধ্যে আটজনের শরীরের প্রায় ৯৫ শতাংশ পুড়ে গেছে। তাদের অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক। অপর দুইজনের অবস্থা তুলনামূলক স্থিতিশীল। বলে জানায়, হাসপাতালে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা।আগুনে দগ্ধ শ্রমিকেরা হলেন, বোয়ালখালী পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের দিদারুল আলম (৩২),পশ্চিম গোমদণ্ডী এলাকার জাহিদ হোসেন (৩৮), চর খিজিরপুর এলাকার নূর নবী (২৫), রাঙ্গুনিয়া পোমরা ইউনিয়নের উজ্জ্বল দাশ (৫৩), চট্টগ্রাম নগরের মাদারবাড়ি এলাকার মোহাম্মদ লিটন (২৮), লোহাগাড়ার চুনতীর সিরাজুল ইসলাম (৩৪), রাউজান মোহাম্মদপুর এলাকার জাহিদুল আলম (৪২),পটিয়ার হুলাইন এলাকার মোহাম্মদ আলম (৪৫), শান্তিহাট এলাকার মাহামুদুল হক (৪৫) এবং চন্দনাইশের কাঞ্চননগর এলাকার সেলিম উদ্দিন (৩০)।আহত শ্রমিকের স্বজনরা দাবি করেন, কারখানায় কর্মরত অবস্থায় বিস্ফোরণে আগুন লাগার ঘটনা ঘঠলেও এখন পর্যন্ত কারখানা কতৃপক্ষের কেউ তাদের সাথে যোগাযোগ করেনি। এখনো পর্যন্ত চিকিৎসার সমস্ত ব্যয় স্বজনরাই বহন করে যাচ্ছে বলে জানান তারা। এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় আহত শ্রমিকদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন তাদের সহকর্মী, আত্মীয় ও স্থানীয় বাসিন্দারা।এবিষয়ে বিস্তারিত জানতে গণমাধ্যমকর্মীদের পক্ষ থেকে কারখানা কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তারা এই বিষয়ে আপতত কোন মন্তব্য দিতে রাজি নয় বলে জানান, নাম প্রকাশ না করার স্বত্বে কয়েকজন কর্মকর্তা।চমেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক (এস.আই) আলাউদ্দিন বলেন, কারখানায় আগুন লাগার পর ১০ শ্রমিক দগ্ধ হন। তাঁদের হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর।বোয়ালখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ মোজাফফর হোসেন বলেন, কারখানায় ঝালাইয়ের কাজ চলছিল। হঠাৎ শর্টসার্কিট থেকে আগুন লেগে যায়। পাশে কাগজের স্তূপ থাকায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পরে। এতে কয়েকজন গুরুতর আহত হন।বিস্ফোরণ ঘটার বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা যায়, ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি কারখানায় পৌঁছানোর আগেই কারখানার নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।